
ওজন কমানো
2,210৳1,610৳
১। অতিরিক্ত ও পরিমাণের চেয়ে বেশি খাবার গ্রহণ। ২। চর্বি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া। ৩। শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাব। ৪। দীর্ঘ সময় বসে থাকা ও অলস জীবনযাপন। ৫। হজমের গোলমাল ও বিপাকক্রিয়ার পরিবর্তন। ৬। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। ৭। থাইরয়েডের কার্যকারিতা কমে যাওয়া। ৮। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা। ৯। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব। ১০। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ১১। বংশগত বা পারিবারিক প্রবণতা। ১২। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে শারীরিক কার্যক্রম কমে যাওয়া।
ডেলিভারি চার্জ
✓ bKash, Nagad ও Rocket
✓ সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি
লক্ষণ
ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে দেখা দিতে পারে এমন লক্ষণ
১। শরীরের ওজন ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়া।
২। পেট, কোমর, উরু ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া।
৩। অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে যাওয়া।
৪। দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া।
৫। বেশি ঘাম হওয়া।
৬। হাঁটা বা সিঁড়ি ওঠার সময় শ্বাসকষ্ট হওয়া।
৭। শরীর ভারী ও অলস অনুভূত হওয়া।
৮। অতিরিক্ত ক্ষুধা বা বারবার খাওয়ার ইচ্ছা।
৯। ঘুমের সমস্যা বা নাক ডাকার প্রবণতা।
১০। জয়েন্ট ও হাঁটুতে অতিরিক্ত চাপ বা ব্যথা অনুভূত হওয়া।
১১। দৈনন্দিন কাজকর্মে দ্রুত ক্লান্তি আসা।
১২। কোমরের মাপ ও শরীরের চর্বি বৃদ্ধি পাওয়া।
নিষেধ
ওজন বৃদ্ধি রোধে যেসব খাবার পরিহার করা উচিত
১। অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার।
২। মিষ্টি পানীয়, কোমল পানীয় ও এনার্জি ড্রিংকস।
৩। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও তেলযুক্ত খাবার।
৪। ফাস্টফুড—বার্গার, পিজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি।
৫। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস ও চর্বিযুক্ত খাবার।
৬। কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি ও মিষ্টান্ন বেশি পরিমাণে খাওয়া।
৭। অতিরিক্ত সাদা রুটি, পরিশোধিত ময়দার খাবার।
৮। অতিরিক্ত ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার।
৯। অতিরিক্ত লবণযুক্ত প্যাকেটজাত খাবার ও চিপস।
১০। রাতে ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ।
১১। একবারে অনেক বেশি খাবার খাওয়া এবং বারবার অপ্রয়োজনীয়ভাবে নাস্তা করা পরিহার করতে হবে।
বিশেষ পরামর্শ: ওজন কমানোর জন্য কোনো একটি খাবার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার চেয়ে মোট খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, সুষম খাবার এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
পরামর্শ
ওজন বৃদ্ধির রোগীদের জন্য বিশেষ পরামর্শ
১. পরিমাণ বুঝে খাবার খান এবং অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করুন।
২. ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বি, মিষ্টি, কোমল পানীয় ও ফাস্টফুড কমিয়ে দিন।
৩. ভাত, রুটি বা অন্যান্য শর্করা জাতীয় খাবার পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করুন।
৪. প্রতিদিন শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম ও পরিমিত পরিমাণে ফলমূল রাখুন।
৫. দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা শুয়ে থাকার অভ্যাস কমিয়ে দিন।
৬. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক ব্যায়াম করুন।
৭. রাত জেগে থাকা এবং রাতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস পরিহার করুন।
৮. পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত দৈনন্দিন রুটিন বজায় রাখুন।
৯. মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও আবেগের কারণে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন।
১০. পর্যাপ্ত পানি পান করুন; তবে মিষ্টি বা চিনি-যুক্ত পানীয়ের পরিবর্তে সাধারণ পানি গ্রহণ করুন।
১১. ওজন কমানোর জন্য নিজের ইচ্ছায় কোনো ওষুধ, স্লিমিং পাউডার বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করবেন না।
১২. হঠাৎ দ্রুত ওজন বৃদ্ধি পেলে বা ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
১৩. থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, হরমোনজনিত সমস্যা বা কোনো ওষুধের কারণে ওজন বাড়ছে কি না, প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করান।
১৪. নিয়মিত ওজন ও কোমরের মাপ পর্যবেক্ষণ করুন এবং ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ওজনের দিকে এগিয়ে যান।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- শীতল ও শুকনো স্থানে রাখুন।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
- প্রয়োজনে আমাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।